Our social:

Latest Post

Saturday, 28 May 2011

The Cleaner 2012 সাথে ফ্রী লাইসেন্স কী

http://www.downeu.com/uploads/posts/2011-03-20/398652-0.jpg

The Cleaner 2012 একটি আন্টি মেলাওয়ার সফটওয়্যার যা ১২ বছরের অধিক সময় ধরে উন্নয়ন করা হচ্ছে। ফলে সফটওয়্যারটি আগের তুলনায় অনেক কার্যকারী । এটি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে সিস্টেম কে সকল প্রকার মেলাওয়ারের (ট্রাজন,স্পাইওয়ারে,এডওয়্যারে, ফ্রাউডওয়্যারে)আক্রমন থেকে রক্ষা করে ।


একজন ব্যবহারকারীকে এক বছর সফটওয়্যারটি ব্যবহার করার জন্য $29.95 প্রদান করতে হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সফটওয়্যারটির পরিচিতির জন্য ১ বছরের জন্য বিনামূল্যে লাইসেন্স কী দিচ্ছে।

http://www.buzz99.com/wp-content/uploads/2011/04/the-cleaner-2012.jpg


















The Cleaner 2012 এর প্রধান বৈশিষ্ট্যঃ
  • আনেক দ্রুত-প্রায় ২ মিনিটের মধ্যে কম্পিউটার স্ক্যান করতে পারে
  • দ্রুত ডাটা পুনরুদ্ধার  করে
  • ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বমানের সুবিধা
  • দৈনিক ডাটাবেজ আপডেট
  • সাপোর্ট xp/vists/7/server 32bit and 64bit
কিভাবে লাইসেন্স ফ্রী পাবেনঃ
  • promo পেজে এখান থেকে ঢুকুন http://moosoft.com/gotd
  • সফটওয়্যার টি ডাউনলোড দিন এবং আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল দিন।
  • ইন্সটল শেষে code টি কপি পেস্ট করুন।
  • code টি হাত দিয়ে লিখতে যাবেন না, cleaner স্বয়ংক্রিয় ভাবে কোডটি clipboard থেকে নিয়ে নিবে।





Friday, 27 May 2011

Sothink logo Maker 2.11 লোগো তৈরর দারুন একট সফটওয়্যার (ফুল ভার্সন)




সথিঙ্ক লোগো মেকার লোগো তৈরির দারুন একটি সফটওয়্যার । এটি দিয়ে সব ধরনের লোগো খুব অল্প সময়েই তৈরি করা যায়।
সফটওয়্যারটিতে ১৯০+ হাই কোয়ালিটি টেমপ্লেট,২৫০০+সার্সেবল ভেক্টর গ্রাফিকস,৪০+স্টাইলিস্ট টেক্স ফ্রন্ট এবং  ৬টি ওয়েভ টেক্সট এফেক্ট রয়েছে। এছাড়াও ৪০০ টি অসাধারন কালার ইফেক্ট সহ আরও কিছু টুলস।









http://www.sothink.com/images/product/logo-maker/logo-maker-interface0-new.jpg



বৈশিস্টঃ
  • লোগো তৈরি অনেক সহজ 
  • অসাধারন লোগো তৈরির অভিজ্ঞতা
  • পাওয়ার এডিট এবং কাস্টম ক্যাপাবেলিটি
ডাউনলোডঃ Sothink logo Maker 2.11 Full (password: dytoshare)

Thursday, 26 May 2011

Avast Antivirus এর সর্বশেষ ভার্সন+৩৬ বছরের লাইসেন্স Key ১০০% ফ্রী তে!!!


আমরা কম্পিউটার কে ভাইরাস এর হাত থেকে বাঁচাতে নানা ধরনের Anti-Virusব্যাবহার করি। তবে অধিকাংশ Anti-Virus এর কী না থাকার কারনে সেগুলি ঠিকমত কাজ করে না! তাই আজ আপনাদের জন্য এনেছি Avast Anti-Virus. আরও সাথে আছে ৩৬ বছরের জন্য সিরিয়াল কী।
1 Avast Antivirus এর সর্বশেষ ভার্সন+৩৬ বছরের লাইসেন্স Key ১০০% ফ্রী তে!!! | Techtunes
১. প্রথমে এখান থেকে Anti-Virus টি ফ্রী ডাউনলোড করুন।

২. Setup দিন।
২. Avast Anti-Virus টি ওপেন করুন।
৩. বাম দিকের ট্যাব থেকে MAINTENANCE এ ক্লিক করুন।
2 Avast Antivirus এর সর্বশেষ ভার্সন+৩৬ বছরের লাইসেন্স Key ১০০% ফ্রী তে!!! | Techtunes
৪. ওখান থেকে Registration এ ক্লিক করুন।
৫. একদম নিচে দেখবেন Insert the license key লেখা, ওখানে ক্লিক করে এই কী টি S3564026R9961A0910-EHW91PYP কপি করে পেস্ট করুন।
৬. দেখবেন Registration Will Expire On 1/19/2038 লেখা আছে!!!!!
ব্যস হয়ে গেল!!!
সুত্রঃ : http://techtunes.com.bd
টিউন করেছেন : monir@

Monday, 23 May 2011

বাড়িয়ে নিন আপনার ব্রাউজারের গতি।

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন কিন্তু মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন না এমন লোক খুব কম।

অনেকের মত মজিলা ফায়ারফক্স আমার একটি পছন্দের ব্রাউজার। আমার এই পোস্টটি মুলত ব্রডব্যান্ড ও মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারিদের উদ্দেশ্যে।
অনেকেই হয়ত জেনে থাকতে পারেন অথবা এই ধরনের পোস্ট আগেও হয়ে থাকতে পারে। তবুও এটি যারা জানেন না তাদের জন্য।
এই ট্রিক্স এর মাধ্যমে স্পীড কয়েকগুন বাড়ানো যায়।
মুলত ব্রাউজারের কনফিগারেশন এর পাইপলাইনিং পরিবর্তন করে আমরা স্পীড বাড়াতে পারি।
ব্রাউজার যে কোন ওয়েব পেজ এর রিকোয়েস্ট একবার বানায়।
কিন্তু যদি আমরা পাইপলাইনিং এনাবল করি তবে অনেকগুলো রিকোয়েস্ট বানিয়ে স্প্রীড বাড়িয়ে দেয়।
ধাপসমুহ নিম্নরূপঃ
১। প্রথমে address bar এ "about:config" লিখে enter চাপতে হবে।
২।scroll bar টেনে নিচের entries গুলো চেক করতে হবে।
network.http.pipelining,
network.http.proxy.pipelining,
network.http.pipeling.maxrequests.
৩।entries গুলো চেক করার পর network.http.pipelining,
network.http.proxy.pipelining,এর উপর ডাবল ক্লিক করে true type হিসেবে value সেট করতে হবে।
৪।এরপর network.http.pipeling.maxrequests এ ক্লিক করে value ৩০ করে দিতে হবে।
৫। সর্বশেষ যে কোন জায়গায় right button ক্লিক করে new>integer সিলেক্ট করে "nglayout.initialpaint.delay"
লিখতে হবে এবং তার value ০ সেট করে দিতে হবে।
এরপর পিসি রিস্টার্ট দিন ব্যস বেড়ে গেল আপনার ব্রাউজিং স্প্রীড

মুল সুত্র এখানেঃ

Tuesday, 17 May 2011

!!!আমাকে বানানো হয়েছে সোনা আর রূপা দিয়ে!!! একান্ত সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ট্রফি

বিশ্বকাপ ফাইনাল তো চলেই এলো। তো, যাকে নিয়ে এই ক্রিকেট যুদ্ধ; সেই বিশ্বকাপ ট্রফিটার কথা তো নিশ্চয়ই তোমাদের জানতে ইচ্ছে করছে? তার জন্ম কোথায়, আর কে-ই বা তার ডিজাইন করেছিলো? সেই একই কথা জানার ইচ্ছে ছিলো আমাদেরও। আর তাই ভাবলাম, এবারে তাহলে ট্রফিটারই একটা সাক্ষাৎকার নিয়ে নেই। তাহলে এগুলো তো জানা যাবেই, বোনাস হিসেবে ট্রফিটাও একটু ছুঁয়ে দেখা যাবে। আর বিশ্বকাপ ট্রফিও সব শুনে খুশি হয়েই রাজি হয়ে গেলো। তোমাদের জন্য সাক্ষাৎকার দিতে কে-ই বা আপত্তি করবে বলো? কিন্তু গোল বাঁধলো আরেক জায়গায়। সে তো আর যে সে ট্রফি নয়, ক্রিকেট বিশ্বকাপের ট্রফি! তাকে তো আইসিসি ওদের অফিস থেকেই বের হতে দেবে না, যদি কোনোভাবে চুরি হয়ে যায়, নয়তো হারিয়ে যায়। আর ওদিকে সাক্ষাৎকার দিতে তো ট্রফিকেও কিডজের অফিসেই আসতে হবে। কী করা যায় বলো তো? শেষমেশ ট্রফির ইচ্ছার কাছে মাথা নোয়ালো আইসিসি, আর বিশ্বকাপ ট্রফি লুকিয়ে লুকিয়ে চলে এলো কিডজের অফিসে। বলছো, লুকিয়ে লুকিয়ে কেন? নাহলে কি আর সে আসতে পারতো, সব মানুষ একটু ছুঁয়ে দেখার আবদার করলে তো সামনের কয়েক মাসেও শুধু ঢাকার মানুষেরই অনুরোধ ফুরোতো না! তো আর দেরি করে কাজ কী, চলো সাক্ষাৎকারটাই শুনে আসি।
: কেমন আছেন ট্রফি ভায়া?
: বেশ আছি। খুব আনন্দ হচ্ছে। আর কয়দিন পরেই যে আমাকে নিয়ে এবারের বিশ্বজয়ী দলটা উল্লাসে মাতবে।
: কোনো দল আপনাকে নিয়ে উল্লাসে মাতলেই বুঝি আপনার খুব খুশি লাগে?
: লাগবে না! আমাকে নিয়ে তখন ওরা কতোকিছু করে। ওদের আনন্দ দেখেই তো আমার বুক ভরে যায়।
: কিন্তু আরেক দল যে হেরে যায়, ওদের জন্য খারাপ লাগে না?
: আসলে খেলা তো খেলাই। এখানে তো আর জয়-পরাজয় আসল না। আজকে ওরা হেরেছে, সামনের বার হয়তো ওরাই বিশ্বকাপ জিতে নেবে। আর বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলাও তো কম গর্বের বিষয় না। ফাইনালে যে দল হেরে যায়, তারা কিন্তু বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দল, ব্যাপারটা খেয়াল রেখো।
: তা-ও তো ঠিকই বলেছেন। আর খেলা তো হয় মনের আনন্দের জন্য। বিনোদনের জন্য। তাতে জিতলেই কী, আর হারলেই কী।
: এটাই আসল কথা। প্রতিটা ম্যাচ জিততে হবে, প্রতিটা টুর্নামেন্ট জিততে হবে, এমন কোনো কথা নেই। ভালো খেলাটাই বড়ো কথা। যেমন ধরো, তোমাদের বাংলাদেশ এবার ৬টা ম্যাচ খেলে ৩টাতেই জিতলো। অথচ দুটো ম্যাচে খারাপ খেলেছে বলে ওদের কতো-ই না সমালোচনা করা হচ্ছে। ঐ দুটো ম্যাচে যদি ওরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতো, তাহলে কিন্তু কেউ আর ওদেরকে এতো গালমন্দ করতো না।
: যাই হোক, আমরা আপনার কথায় আসি। আপনি বরং আপনার সম্পর্কে কিছু বলেন।
: আমার সম্পর্কে আর কি বলবো। আমাকে তো তোমরা সবাই-ই চেনো। কেবল তোমাদের দল আমাকে জিততে বাকি রেখেছে, সে-ও হয়তো আগামী ২-৩ বিশ্বকাপের মধ্যেই জিতে নেবে। কিন্তু বিশ্বকাপ আয়োজনের বদৌলতে আমি তো তোমাদের দেশের মানুষের সামনেও ঘুরে গেছি।
: আচ্ছা, আপনার জন্ম কবে?
: আমার জন্ম হয় ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপের কিছুদিন আগে, লন্ডনে।
: বলেন কি? তাহলে তার আগের বিশ্বকাপগুলোতে কি ট্রফি দেয়া হতো না?
: কেন দেয়া হবে না। অবশ্যই দেয়া হতো। ক্লাইভ লয়েড কিংবা কপিল দেব, ইমরান খান বা অর্জুনা রানাতুঙ্গা ট্রফি নিচ্ছে, এমন ছবি কি কখনো দেখোনি? আর কারো ছবি না দেখলেও ক্লাইভ লয়েডের ছবি তো দেখা উচিত। সে তো ইতিহাসের প্রথম দুটো ট্রফিই জিতেছিলো।
: তাহলে বললেন যে আপনার জন্ম ১৯৯৯ সালে?
: আরে, আগে তো অন্য ট্রফি দেয়া হতো। আসলে আগে বিশ্বকাপের কোনো নির্দিষ্ট ট্রফিই ছিলো না। যে বিশ্বকাপে যারা স্পন্সর হতো, তাদের নামেই টুর্নামেন্ট হতো, তাদের নামেই নামকরণ করা হতো বিশ্বকাপ ট্রফির। এই যেমন, প্রথম ৩টা বিশ্বকাপে স্পন্সর ছিলো প্রুডেন্সিয়াল কোম্পানি লিমিটেড। আর তাই সেই তিন বিশ্বকাপের নাম ও ট্রফির নামই ছিলো প্রুডেন্সিয়াল কাপ।
: পরের গুলোতে কারা স্পন্সর ছিলো?
: ১৯৮৭ বিশ্বকাপের স্পন্সর ছিলো রিলায়েন্স গ্রুপ। আর ১৯৯২ আর ’৯৬ বিশ্বকাপের স্পন্সর ছিলো বিএটি আর উইলস এন্ড কোম্পানি।
: তারপর হঠাৎ কেন আপনাকে বানানো হলো?
: ততোদিনে তো ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনেক বড়ো একটা ক্রীড়া আসর হয়ে গেছে। এখন এতো বড়ো একটা টুর্নামেন্ট, তার একটা আনুষ্ঠানিক ট্রফি থাকা উচিত না? আর এই টুর্নামেন্টের তো একটা নামও থাকা চাই। সুতরাং, টুর্নামেন্টের নামের সঙ্গে স্পন্সরের নাম জুড়ে দেয়া বন্ধ করে দেয়া হলো। আর টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ট্রফি হিসেবে বানানো হলো আমাকে।
: আপনাকে বানানোর দায়িত্ব কাদের দেয়া হলো?
: জেরার্ড এন্ড কোম্পানিকে। ওরা ২ মাসের মধ্যে আমাকে বানিয়েছিলো।
: আচ্ছা, আপনাকে কি দিয়ে বানানো হয়েছে?
: আমাকে বানানো হয়েছে সোনা আর রূপা দিয়ে। আর আমার ডিজাইনটা কি কখনো খেয়াল করেছো?
: অবশ্যই। তিনটা স্তম্ভের উপরে একটা গ্লোব বসানো, তাই না?
: হ্যা। এই তিনটা স্তম্ভ ক্রিকেট খেলার তিনটা প্রধান অংশ- ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিংকে বোঝায়। আর উপরের গ্লোবটা কিন্তু শুধু পৃথিবীকেই বোঝায় না। ওটা একইসঙ্গে ক্রিকেট বলেরও প্রতীক।
: যারা বিশ্বকাপ জিতবে, তারা কি আপনাকে নিয়েই যাবে?
: কক্ষণো না। আমি সবসময়ই আইসিসির অফিসে থাকি। তবে যারা বিশ্বকাপ জিতে, তাদেরকে আমার একটা নিখুঁত রেপ্লিকা দেয়া হয়। তবে সেটাতে অবশ্য একটা পার্থক্য থাকে।
: কি পার্থক্য?
: আমার নিচের দিকে অনেকগুলো গোল গোল অংশ দেখছো না? প্রত্যেক বিশ্বকাপের শেষে ওখানে বিজয়ী দলের নাম লেখা হয়। কিন্তু রেপ্লিকাতে ওটা একটাই থাকে, আর সেখানে শুধু সেবারের বিজয়ী দলেরই নাম লেখা থাকে। আমার গায়ে আরো ১০টা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নের নাম লেখার জায়গা আছে। ফাইনাল শেষে তার একটাতেই এবারের বিশ্বজয়ীর নাম লেখা হবে।
: তো বিশ্বকাপের ট্রফি ভায়া, অনেক-ই তো কথা হলো। আজকে না হয় আমরা সাক্ষাৎকারটা এখানেই শেষ করি, কী বলেন?
:  হ্যাঁ, সেই ভালো। নয়তো বেশি দেরি হলে আইসিসির অফিসাররা আবার চিন্তায় পড়ে যাবেন। আমি তাহলে আজকে যাই। বিদায়।





সুত্রঃ বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Sunday, 15 May 2011

The philladelphia project:পৃথিবীর ইতিহাস পাল্টে দিতে পারত বিজ্ঞানের যে অপ্রকাশিত এবং গোপনীয় অধ্যায়

পুরো ব্যাপারটা প্রকাশিত হলে প্রায় কয়েক দশক এগিয়ে যেত পৃথিবী,পাল্টে যেতে পারত আমাদের পৃথিবীর চিরপরিচিত চেহারা, আমরা হতে পারতাম মহাবিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণীর আরও উপযুক্ত দাবীদার।কিন্তু তা হয়নি, আরও ভালো করে বললে হতে দেওয়া হয়নি।আসলে বিজ্ঞান কখনই নিজের মত করে মাস পিপলের কাছে পৌছাতে পারেনি,কোন যুগে ধর্ম একে শেষ করে দিতে চেয়েছে,তো অন্য যুগে এইটি পৃথিবীর নোংরা রাজনীতি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে,আবার কোন কোন সময় মহা পরাক্রম শালী কিছু প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞানী এবং তাদের আবিস্কার এই দুই কে কাজে লাগিয়েছে শুধু তাদের নিজেদের স্বার্থে। ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট-মানুষের এই পর্যন্ত করা সবচেয়ে আশ্চর্যের একটি এক্সপেরিমেন্ট, এইটির কথাই বলছি আমি।

এইবার আসি মূল ঘটনাই।কি হয়েছিল এই এক্সপেরিমেন্ট এ?
এইটা প্রজেক্ট রেইনবো নামেও পরিচিত।পুরো এক্সপেরিমেন্ট টা করা হয়েছিল আমেরিকার নেভাল একাডেমী তে যেটা ফিলাডেলফিয়া তে অবস্থিত।ঘটনার কাল-২২ ই জুলাই,১৯৪৩।সেদিন ওই নেভাল একাডেমী তে eldridge নামে একটি বিশালাকার জাহাজের উপর ওই পরীক্ষা চালানো হয়। উদ্দেশ্য জাহাজটিকে অদৃশ্য করে দেওয়া।খুব অদ্ভুত পরীক্ষা,তার ছেয়েও অদ্ভুত তার উদ্দেশ্য।কিন্তু মাঝে মাঝে বাস্তবতা ফিকসান কেও হার মানায়।সেটাই হল ফিলাডেলফিয়ায়। প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেল জাহাজটি।অতটুকু পর্যন্তই।পুরোপুরি সফল হলনা উদ্দেশ্য। 
এইটি সেই জাহাজ যাকে অদৃশ্য করে দেওয়া হয়।
২৮ ই অক্টবার,১৯৪৩। আবার করা হয় এক্সপেরিমেন্ট তি।এইবার বিশাল জাহাজটি সব ক্রু সহ তো অদৃশ্য হল এবং ১০ সেকেন্ড পর একে পাওয়া যায় প্রায় ২০০ মাইল দূরে ভারজিনিয়ায়।পুরো ব্যাপারটাই অবিশাস্য।
যদিও আমেরিকান নেভাল একাডেমী ব্যাপারটি কখনই স্বীকার করে নেয়নি।বরাবর ই তারা ব্যাপারটিকে অস্বীকার করে hoax বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
আসল ব্যাপারটা হল এই ব্যাপারটা নিয়ে একদল বিজ্ঞানী ব্যাপারটা নিয়ে কাজ করে আসছিল অনেক আগ থেকেই।এই বিজ্ঞানিদের মধ্যে আইনসটাইন,নিকল টেসলা সহ আরও অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ছিল।এই এক্সপেরিমেন্ট টা করা হয়েছিল unified field theory এর উপর ভিত্তি করে।যদিও আমাদের জানা মতে পুরো থিওরিটির কাজ আইনসটাইন শেষ করে যেতে পারেন নি।কিন্তু ফিলাডেলফিয়া প্রজেক্ট নিয়ে যে কয়েক টা গল্প বাজারে চাউর আছে তার মধ্যে সব চেয়ে গ্রহণযোগ্য মতামত হল আসলে unified field theory টার প্রমান করা হয়েছিল এবং এটা গোপন রাখা হয়েছিল , ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট টি ছিল এর একটি এপ্লিকেসান মাত্র।এই ব্যাপারে William moor তার philladelphia experiment বইটাতে একটি চিটির রেফারেন্স দিয়েছেন যেটি কার্ল এলেন্স লিখেছিলেন জেসাপ এর কাছে।এই চিটিতে আইনসটাইন এবং বারটান্ড রাসেল এর কথোপকথন উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে আইন্সটাইন নিজেই unified field theory শেষ করার কথা বলেছিলেন।নিকল টেসলার ও এই ব্যাপারে স্বীকারোক্তি আছে।
কিভাবে করা হয়েছিল পুরো এক্সপেরিমেন্ট টা? যতটুকু জানা যায় পুরো জাহাজ টাকে তার দিয়ে মোড়ানো হয়েছিল,তারপর বিশাল ইলেক্ট্রিক্যাল জেনারেটর এর সাহায্যে এর মধ্যে দিয়ে কারেন্ট পাস করানো হয়েছিল এবং পুরো জায়গায় বিশাল ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করা হয়েছিল।এই ম্যাগনেটিক ফিল্ড দ্বারাই জাহাজের আশপাশের আলো কে bend করা হয়েছিল।জাহাজের আশপাশের আলো বেন্ড হয়ে যাওয়ার ফলে আমরা জাহাজ টিকে আর দেখতে পাই না অন্যভাবে বললে জাহাজটি অদৃশ্য হয়ে যায়। 
এইভাবেই জাহাজটি অদৃশ্য হয়ে যায়।আর দ্বিতীয় এক্সপেরিমেন্ট টিতে জাহাজ টির মুহূর্তে ২০০ মাইল পাড়ি দেওয়ার ব্যাপারটা আইনস্টাইন এর একটি কথায় পরিস্কার হবে।তিনি বলেছিলেন আমরা যদি আলো কে বেন্ড করতে পারি তবে আমাদের দ্বারা সময় এবং স্থান দুটুকেই বেন্ড করা সম্ভব হবে।আর এই দুটুকে বেন্ড করা গিয়েছিল বলেই জাহাজ টিকে ওই অল্প সময়ে অত দূরে পাঠানো সম্ভব হয়েছিল।  
ঠিক এইভাবেই ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করে আলোকে বেন্ড করা হয়েছিল।
ওই জাহাজের মধ্যে যারা ছিল তারা অধিকাংশই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে।যারা সুস্থ ছিল তাদের কেও বিভিন্ন ভাবে এর গোপনীয়তা রাখার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল।কিন্তু কেন এই গোপনীয়তা? আমরা আজো জানিনা।আসলে আমেরিকান মিলিটারি দের অধিকাংশ রিসার্চ সম্পর্কে বাইরের দুনিয়াকে কিছুই জানতে দেওয়া হয় না।এই এরিয়া ৫১ এর কথাই ধরুন না। আমরা সবাই জানি জায়গাটা আছে,কিন্তু অত একটা বিশাল জায়গা জুড়ে কি করা হয় টা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা।অনেক রহস্যময় গল্প চালু আছে এই নিয়ে।থাক,সে গল্প অন্যদিন।ও ভালো কথা, ফিলাডেলফিয়া প্রজেক্ট নিয়ে কিন্তু হলিউডে মুভিও হয়েছে-the philladelphia experiment (1984),directed by stewart raffil.চাইলে মুভিটা দেখে নিতে পারেন।
সবাই ভালো থাকবেন।



লিখেছেনঃ নিয়নের আলো

পৃথিবীর সবচেয়ে গোপনীয় এবং রহস্যময় পাঁচটি স্থান,চাইলেও যে জায়গাগুলতে যেতে পারবেন না কখনই

মানুষ বরাবর ই কৌতুহলি।পৃথিবী সে চষে বেড়াতে চাই,জানতে চাই সমস্ত অজানারে।
কিন্তু চাইলেই কি পৃথিবীর সব গোপনীয়তা ভেদ করা সম্ভব??উত্তরটা অবশ্যই না।পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেগুলোতে চাইলেও কখনই যাওয়া যায়না,জানা যায়না কি হচ্ছে সেখানে,আর কেনইবা এতসব গোপনীয়তা??আজকে এমনি কিছু রহস্যময় জায়গার কথা বলব যেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সবসময় অধরাই থেকে গেছে।সাধারণ মানুষ পরতের পর পরত রহস্যের গল্প বুনে গেছে এগুলো নিয়ে,কিন্তু কূলকিনারা করা হয়নি কোন রহস্যের।
১।এরিয়া ৫১
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদাই অবস্থিত এই জায়গাটি নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ এখনো একটা ঘোরের মধ্যে আছে।এটি একটি মিলিটারি বেইজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সিকিউর এলাকাগুলোর একটা।এর এরিয়ার বাইরেও একটা বিশাল এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।কি করা হয় ওখানে???পৃথিবীর একটা বিশাল অংশ মানুষের ধারনা ওখানে এলিয়েন নিয়ে গবেষণা করা হয়।অনেক মানুষ এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগ করা গেছে বলেও বিশ্বাস করে।
এরিয়া ৫১

২।Ise Grand Shrine : Japan
জাপানের সবচেয়ে গোপনীয়,পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান।খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে এটি নির্মাণ করা হয় বলে ধারনা করা হয়।জাপানের রাজকীয় পরিবার আর প্রিস্ট ছাড়া এতটা কাল এখানে আজ পর্যন্ত কেউ প্রবেশ করতে পারেনি।এই শ্রিন টি প্রতি ২০ বছর পরে ভেঙ্গে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়।কেন এত গোপনীয়তা???ইতিহাসবিদদের মতে এককালের জাপানিজ সাম্রাজ্যের অনেক পুরনো মূল্যবান নথিপত্র ওখানে লুকায়িত আছে,যেগুলো বিশ্বের সামনে আগে কখনই আসেনি।
Ise Grand Shrine

৩।Vatican Secret Archives
যুগযুগ ধরেই ভ্যাটিকান সিটি মানুষের রহস্যের খোরাক,সেই যীশুর আমলের আগ থেকেই পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী এই ভ্যাটিকান।এই জায়গাটিকে storehouse of secret o বলা হয়।খুব সংখ্যক স্কলার ই এই জায়গায় ঢুকতে পারেন তাও পোপের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে।এখানে প্রায় ৮৪০০০ বই আছে আর এই জায়গাটি প্রায় ৮৪ কিমি দীর্ঘ।ধারনা করা হয় খ্রিষ্টান,মেসনারি,প্যাগান আরও অনেক ধর্ম আর মতবাদের অনেক গোপন ডকুমেন্ট এখানে সংরক্ষিত আছে।
Vatican Secret Archives

৪। club 33 disneyland
সারাবিশ্বের মানুষের জন্য ডিজনিল্যান্ড একটি বিনোদনের জায়গা।পুরো জায়গাটিই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত শুধুমাত্র ক্লাব ৩৩ ছাড়া।খুব খুব রেস্ট্রিক্তেড করে রাখা হয়েছে ওই জায়গাটি।স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি এই ক্লাবটির প্রতিসঠাতা।খুব আশ্চর্যের ব্যাপার হল আপনি যদি আজকে আবেদন করেন এই ক্লাবটির সদস্য হতেই আপনার প্রায় ১৪ বছর সময় লাগবে।
club 33

।Moscow Metro-2
এটি রাশিয়ায় অবস্থিত।পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রউন্ড সিটি এইটি।কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে কখনই এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেওয়া হয়নি।স্তালিনের আমলে এইটি তৈরি করা হয়েছিল।একটা বিশাল অংশের মানুষ মনে করে এটি ক্রেম্লিনের সাথে fsb headquarter এর সংযোগ স্থাপন করেছে।পুরো একটি শহর এটি অথচ মানুষ এই জায়গায় যাওয়া তো দূরে থাক,এখনো এই সম্পর্কে ভাল করে কিছু জানেইনা।




http://www.somewhereinblog.net/

বিশ্বের দ্রুত ডিভিডি কনভার্টর NewTek Speed । HD সুবিধা সহ ইচ্ছে করলে হোম থিয়েটার, মোবাইল ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন ।’ফ্রী’

  • কেমন আছেন সবাই,আসা করি ভাল…সবাই ভাল থাকুন এই কামনা করে আজকের টিউন।এখনতো অনেকরই হাতে হাতে ডিজিটাল ক্যামেরা ও হ্যান্ডিক্যাম ।যারা কম্পিউটারে কিছুটা পারদর্শী তারা চাইলে তাদের ক্যামেরাতে তোলা স্থীর চিত্র বা ভিডিও দ্বারা ভিডিও এডিটিংয়ের কাজটা নিজেই সেরে নিতে পারেন। বাজারে অনেক ধরণের এডিটিং সফটওয়্যার থাকলেও NewTek Speed তুলনামূলক ভাবে সহজ।
  • কমপ্রেসড ফাইল ফরমেটের মধ্যে ভালোমানের জন্য NewTek Speedফরমেটটি উল্লেখযোগ্য। উঁচুমানের ভিডিও, স্পষ্ট শব্দ এবং তুলনামূলক ছোট ফাইলের জন্য ওয়েবেও এর ব্যবহার বাড়ছে ধীরে ধীরে। বিশেষ করে ইন্টারনেট মুভিগুলোর বেশিরভাগই থাকে এই NewTek Speed ফরমেটে। Dr NewTek Speed এমন একটি সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে ডিভিডি থেকে NewTek Speed ফাইলে কনভার্ট করতে পারবেন। অন্য ফাইল থেকে NewTek Speed -এ কনভার্ট ও এডিট করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, পছন্দমতো ফাইল সাইজও সেট করে দিতে পারবেন।
  • ইচ্ছেমতো ফিল্টার যোগ করতে পারবেন, অনেক ফাইল একীভূত করে এক ফাইলে রূপ দিতে পারবেন। মোট কথা, একটি ভিডিও সফটওয়্যারের অনেক অপশনই আপনি পাবেন এবং তা অবশ্যই খুব সহজে। কারণ, এর ইউজার ইন্টারফেস খুব সহজ। এখানেই শেষ নয়। এর সর্বশেষ ভার্সনে আছে ভিডিও স্ট্যান্ডার্ড সিলেক্ট অপশন। যেমন আপনি আউটপুট ফাইলকে কোন স্ট্যান্ডার্ডে অনুসরণ করাতে চান, তার সুযোগ পাবেন।
*ইচ্ছে করলে হোম থিয়েটার, মোবাইল, হ্যান্ডহেল্ড অপশন সিলেক্ট করতে পারবেন। এমনকি হাই ডেফিনিশন (এইচডি) ভিডিও ফাইলও তৈরি করতে পারবেন। এক কথায় NewTek Speed ফাইলের চূড়ান্ত সল্যুশন দেবে এই Dr. NewTek Speed.

22 বিশ্বের দ্রুত ডিভিডি কনভার্টর NewTek Speed ।  HD সুবিধা সহ ইচ্ছে করলে হোম থিয়েটার, মোবাইল ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন ।ফ্রী | Techtunes

A-NewTek Speed

32 বিশ্বের দ্রুত ডিভিডি কনভার্টর NewTek Speed ।  HD সুবিধা সহ ইচ্ছে করলে হোম থিয়েটার, মোবাইল ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন ।ফ্রী | Techtunes

B-NewTek Speed

এক নজরে NewTek Speed:

  • * টুস্টেপ এনকোডিং, তাই মান খুবই ভালো।
  • * আর্কষণীয় ইন্টারফসে।
  • * ইউজার ফ্রন্ডেলি।
  • * ব্যাচ প্রসসে অপশন।
  • * রিজিউিস অপশন।
  • * প্রভিউি এবং ভিডিওির কছিু অংশ সলিক্টে করে এনকোড করার সুযোগ।
  • * প্রয়োজনমতো ফাইল সাইজ নির্ধারণ করে দেয়োর সুযোগ।
  • * মিনিমাম সিস্টেম রিকোয়ারমন্টে।
*এই সফটওয়্যারে একই সাথে অডিও এডিটর, ভিডিও এডিটর, ভিডিও পেইন্ট, ভিডিও ক্যাপচার, এনিমেশন তৈরী এবং ভিডিওকে সিডিতে রাইট করা যাবে।
SE TitleLarge বিশ্বের দ্রুত ডিভিডি কনভার্টর NewTek Speed ।  HD সুবিধা সহ ইচ্ছে করলে হোম থিয়েটার, মোবাইল ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন ।ফ্রী | Techtunes

NewTek Speed

প্রসসের : পন্টেয়িাম ফোর থকে লাস্ট র্পযন্ত।
র্র্যাম : ১২৮ মগোবাইট।
উইন্ডোজ- ২০০০ / এক্সপ/৭/ভিসতা।
ডরিক্টে এক্স ৯।
File=205MB

Downlod

আপনাদের সুবিধার্থে,-250 Mb
যাদের প্রয়োজন তারা ডাউনলোড করতে পারেন।
এই প্রত্যাশা রেখে
 
 
 
 
সুত্রঃ  http://techtunes.com.bd/
টিউন করেছেন : Nirzonalo

আর নয় সিরিয়াল নাম্বার খোজার ঝামেলা, ৩৮০০০+ সিরিয়াল (softwares+games)

s2 আর নয় সিরিয়াল নাম্বার খোজার ঝামেলা, ৩৮০০০+ সিরিয়াল (softwares+games) | Techtunes
আস্-সালামু-আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো।
টিটি তে আমি কিছুদিন হলো এসেছি। এই সল্প সময়ের মাঝে টিটিকে আমি অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। টিটি থেকে অনেক কিছুই শিখেছি।কিন্তু দিতে পারিনি কিছুই। এজন্য খুব খারাপ লাগছিলো। তাই আজ আপনাদের জন্য এই টিউনটি নিয়ে হাজির হলাম। টিটিতে এটা আমার প্রথম টিউন।

আমরা সকলেই কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের softwares ব্যবহার করে থাকি এবং games খেলে থাকি। কিন্তু কিছু softwares এবং games ছাড়া প্রায় সকল softwares এবং games এর জন্য সিরিয়াল নাম্বার/কী এর দরকার হয়। এজন্য আমাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।আর এই সমস্যা সমাধানের জন্যই আমার আজকের টিউন।
আমি আজ আপনাদের সামনে একটা software নিয়ে হাজির হয়েছি। software টার নাম serials world। এটা সর্বশেষ ভার্সন। মাত্র ৩.২mb এর সম্পূর্ণ ফ্রী এই software টি তে ৩৮০০০+ সিরিয়াল রয়েছে। ব্যবহারের কোন ঝামেলা নেই। এটি পোর্টেবোল ভার্সন। software টার সার্স বক্সে আপনি আপনার প্রয়জনীয় software/game এর নাম লিখে এন্টার চাপ দিলে পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্খিত সিরিয়াল নাম্বার।
1
softwares search আর নয় সিরিয়াল নাম্বার খোজার ঝামেলা, ৩৮০০০+ সিরিয়াল (softwares+games) | Techtunes
2
games search আর নয় সিরিয়াল নাম্বার খোজার ঝামেলা, ৩৮০০০+ সিরিয়াল (softwares+games) | Techtunes
এখান থেকে ডাউনলোড করুন।
টিউনটি ভালো লাগলে বলবেন, তাহলে আরো ভালো ভালো টিউন করার অনুপ্রেরনা পাব।



সুত্রঃ http://techtunes.com.bd
টিউন করেছেন : Hridoy43

উদ্ধার করুন আপনার হারানো ডাটা খুব সহজে!!!!

আমরা অনেক সময় ভুলে কম্পিউটার থেকে অনেক জরুরি তথ্য শিফট চেপে ডিলিট করে দেই।পরবর্তীতে আমরা ওই কাজ আর ফেরত পাইনা,ফলে পুনরায় করতে হয়।এ এক বিরাট ঝামেলা।মাঝে মাঝে মনে
হয়,যদি ডিলিট করা তথ্য আবার ফেরত আনা যেত!!! আমি এক সময় এ নিয়ে অনেক হা-পিত্যেশ করতাম।এখন আমি নিজেই এই সমস্যার সমাধান করেছি।

এর জন্য আমি ব্যবহার করেছি মাত্র নয় মেগাবাইটের একটি সফটওয়ার।নাম PC Tools File Recovery।
আপনাদের আমি এই সফটওয়ারটি দিচ্ছি একদম বিনামূল্যে।
নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করুনঃ
http://adf.ly/1VKNj
then press skip add
এর সাথে আমি এর ক্র্যাক ফাইলটি সংযুক্ত করেছি।তাই লাইসেন্সের ঝামেলা নেই।

সুত্রঃ http://techtunes.com.bd
টিউন করেছেন : Shawn

যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি -FRAPS-3.2.3[activated]

nfs2008101919584463 75x56 যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
FRAPS -এই soft দিয়ে যেকোনো game এর screenshot ও game এর video করে রাখতে পারবেন ।trail version এ ৩০ সে: video captureও bmp format e picture save করা যেতো।এটা activated...so no limit..just enjoooyy....ছবিগুলো দেখলে বাকিটুকু নিজেরাই পারবেন ।আর সব আগেই বলে দিলে নিজ থেকে শেখার মজাই পাবেন না।
=======================================================================
speed 2008 12 12 23 05 42 98 যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
Add caption
elderstream যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
11 1 2010 1 00 59 AM যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
11 1 2010 1 01 17 AM যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
11 1 2010 1 05 19 AM যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
11 1 2010 12 59 31 AM যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
bridgeg যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes
speed 2008 12 10 10 43 48 16 যেকোনো GAME এর ছবি ও ভিডিও save করে রাখুন যতক্ষন খুশি  FRAPS 3.2.3[activated]@SSSiam | Techtunes


=======================================================================
so let's DOWNLOAD
ইচ্ছা ঘুড়ি ডাউনলোড লিঙ্কঃ এইখানে চাপ দিন
সুত্রঃ http://techtunes.com.bd
টিউন করেছেন : সাজ্জাদ শাহরীয়ার সিয়াম

Tuesday, 10 May 2011

নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের সব ছবি কম ঝামেলায় ডাউনলোড করুন

www.wallpaperbase.com হচ্ছে বিনামূল্যে ওয়ালপেপার ডাউনলোড করার একটি সাইট। এরকম আরো অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে ছবি ডাউনলোড করা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একটা একটা ছবি সেভ করতে হয়। এখন কোন সাইটে যদি ১০০০০ ছবি থাকে সব ছবি আপনার হার্ডডিস্কে সেভ করাটা কতটা ঝামেলার কাজ একবার চিন্তা করে দেখুন। কম ঝামেলায় কিভাবে অনেক ছবি ডাউনলোড করবেন সেটাই এখন আপনাদের বলব।
যা যা লাগবে:
১. Mozilla Firefox
২. FlashGot Add-ons for Firefox
৩. FlashGet Download Manager

ইনস্টলেশন ও সেটিংস:
মোজিলা ফায়ারফক্স না থাকলে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন আর থাকলে তো কথাই নেই। ফ্ল্যাশগোট এড-অনস ইনস্টল করুন। ফ্ল্যাশগেট ডাউনলোড ম্যানেজার ইনস্টল করুন। ফায়ারফক্সে Tools–>Add-ons ওপেন করে FlashGot সিলেক্ট করে Options এ ক্লিক করুন। General ট্যাবে Download Manager হিসেবে FlashGet সিলেক্ট করে OK দিন। Add-ons ম্যানেজার বন্ধ করুন। ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন।

flashgot.jpg
কাজ শুরু:
আমি উদাহারন হিসেবে www.wallpaperbase.com নিলাম আপনারা অন্য সাইট নিয়েও চেষ্টা করতে পারেন। ফায়ারফক্স রান করে Google ওপেন করুন। উপরের মেন্যু থেকে Images এ ক্লিক করুন। সার্চ বক্সে লিখুন site:wallpaperbase.com (অন্য সাইট হলে তার নাম দিন)। Search Images এ ক্লিক করুন। সার্চ রেজাল্টে ইমেজগুলো দেখাবে।

google_images.jpg
যেকোন একটা ইমেজের উপর রাইট মাউস ক্লিক করে FlashGot All এ ক্লিক করুন।
flashgot2.jpg
Select URL নামে উইন্ডো ওপেন হবে। Choose বাটনে ক্লিক করুন। Select links উইন্ডোতে বাম পাশের বক্সের নিচে All থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন। বাম বক্স থেকে www.wallpaperbase.com:80 তে (অথবা আপনি যে সাইট থেকে ছবি ডাউনলোড করছেন সেটাতে) টিক চিহ্ন দিন। ডান পাশের বক্সে শুধু jpg তে টিক চিহ্ন দিন। gif,bmp যদি থাকে সেগুলিতে ও টিক দিন। OK–OK–OK ক্লিক করুন।
flashget.jpg
Use the same settings for other files? এ Do not ask me again এর পাশে টিক চিহ্ন দিন। Yes এ ক্লিক করুন। গুগল সার্চে ১নং পেজের সব ছবিগুলো ডাউনলোড শুরু হবে। এভাবে ২,৩,৪,৫…যত খুশি পেজে যান এবং উপরের নিয়ম অনুযায়ী ডাউনলোড করুন।

সূত্রঃ http://jewelosman.wordpress.com

Saturday, 7 May 2011

গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ,টেলিটক) ইন্টারনেট ব্যাবহার


গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে নিচের নিয়ম অনুসরন করুন।


নিয়ম :

গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software হতে
Tools > Options > Profile Management
Select করুন ।

By Default Profile Name : GP-INTERNET Select করা আছে।

এখন অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ,টেলিটক) ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে নতুন Profile Create করতে ডান পাশের প্যানেল হতে New Select করুন ।

একটেলের জন্য
Profile Name : AKTEL-INTERNET type করুন। APN Static Select করে internet লিখুন।
Access Number : *99***1# লিখুন।
OK করে মেনু হতে বাহির হন।

এখন মোডেমে একটেল সিম দিয়ে গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software এর প্রথম Form (Connection) হতে Profile Name :
AKTEL-INTERNET Select করে Connect Click করুন । 
ওয়ারিরেদ জন্য
Profile Name : WARID-INTERNET type করুন। APN Static Select করে internet লিখুন।
Access Number : *99***1# লিখুন।
OK করে মেনু হতে বাহির হন।

এখন মোডেমে ওয়ারিদ সিম দিয়ে গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software এর প্রথম Form (Connection) হতে Profile Name :
WARID-INTERNET Select করে Connect Click করুন ।

বাংলালিংকের জন্য
Profile Name : Banglalink-WEB type করুন। APN Static Select করে blweb লিখুন।
Access Number : *99***1# লিখুন।
OK করে মেনু হতে বাহির হন।

এখন মোডেমে বাংলালিংকের সিম দিয়ে গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software এর প্রথম Form (Connection) হতে Profile Name :Banglalink-WEB Select করে Connect Click করুন ।
টেলিটকের জন্য
Service Type - No Use No Pay
APN wap
IP 192.168.145.101
Port (optional) 9201

Service - Monthly/Daily Unlimited
APN gprsunl
IP 192.168.145.101
Port (optional) 9201